
টাঙ্গাইলের তাঁতপল্লিতে ভোর শুরু হয় সুতা রং করা দিয়ে। বড় হাঁড়িতে রং ফুটিয়ে সুতা ডুবিয়ে রাখা হয়, তারপর রোদে শুকিয়ে রং পাকা করা হয়।
এরপর আসে টানা-পোড়েনের কাজ। হাজার হাজার সুতা এক এক করে তাঁতে বসাতে দুই থেকে তিন দিন লেগে যায়। একটি সুতা এলোমেলো হলে পুরো নকশা নষ্ট।
নকশা তোলার কাজটাই সবচেয়ে ধৈর্যের। দুই জন তাঁতি পাশাপাশি বসে দিনে গড়ে ছয় ইঞ্চি করে বুনতে পারেন — জটিল নকশায় তারও কম।
সব মিলিয়ে একটি শাড়ি তাঁত থেকে নামতে গড়ে ১৪ দিন লাগে। তাঁতিয়ানা সরাসরি তাঁতির কাছ থেকে শাড়ি নেয়, তাই দামের ন্যায্য অংশটা তাঁতির ঘরেই পৌঁছায়।


